Wednesday, August 16, 2017

নাম সংক্ষেপ



ক্যাডেটদের মাঝেমধ্যেই গণহারে নানা ঝোঁক চাপে। এই যেমন একটা টার্মে আমরা সব বিষয়ের শিক্ষকদের সংক্ষেপে ডাকা শুরু করলাম। বাংলার শিক্ষককে বাশি, ইংরেজির শিক্ষককে ইশি, আর ভূগোলের শিক্ষককে ভূশি। সেটা মোটামুটি সব স্যার জেনে গিয়েছিলেন। একদিন জামান স্যার ক্লাসে এসেই বললেন, ‘শোনো, কষ্ট হলেও তোমরা আমার নাম সংক্ষেপে ডেকো না, প্লিজ!’ জামান স্যার ছিলেন আমাদের হিস্ট্রির শিক্ষক…!

সব দোষ ধোপার

স্বামী : লণ্ড্রীতে কাচার পর নতুন কেনা পাঞ্জাবীটা কেমন ছোট হয়ে গেছে দেখছ ? কিছুতেই মাথা গলাতে পারছি না ।
স্ত্রী : কই দেখি ? ওমা জামা তো ঠিকই আছে, তুমি আসলে হাতার মধ্যে দিয়ে মাথা গলাবার চেষ্টা করছ ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া চট্টগ্রাম বিষয়ক একটি গল্প

চট্টগ্রামের এক লোক বৃষ্টির পানির মধ্যে ড্রেনে পড়ে মারা গেলেন। তিনি স্বর্গে গিয়ে দেখলেন বিশাল এক দেয়াল। সেই দেয়ালখানা ঘড়িতে পরিপূর্ণ। তা দেখে মৃত লোকটি স্বর্গের দূতকে জিজ্ঞাসা করলেন, এখানে এতগুলো ঘড়ি কেন?
স্বর্গের দূত: এগুলো হল মিথ্যা ঘড়ি। প্রত্যেক মানুষের জন্য একটি করে রাখা আছে। দুনিয়াতে থাকা অবস্থায় কেউ যদি একবার মিথ্যা কথা বলে তাহলে ঘড়ির কাঁটা একবার ঘুর
বে, দুটি মিথ্যা কথা বললে দুইবার ঘুরবে। এভাবে যে যতবার মিথ্যা কথা বলবে তার ঘড়ির কাঁটা ততবার ঘুরবে।
মৃত ব্যক্তি: আচ্ছা, ওই ঘড়িটি কার?
স্বর্গের দূত: এটা মাদার তেরসার ঘড়ি। এটার কাঁটা একবারও ঘুরেনি,তার মানে তিনি জীবনে একটি মিথ্যাও বলেননি।
মৃত ব্যক্তি: আচ্ছা, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আর সিডিএতে যেসব রাজনীতিবিদ আছেন তাদের ঘড়িগুলো কই?
স্বর্গের দূত: দেখুন, সাধারণত বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের ঘড়িগুলো আমাদের অফিসরুমে থাকে। ওগুলো আমরা টেবিল ফ্যান হিসেবে ব্যবহার করি। কিন্তু চট্রগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আর সিডিএতে যেসব রাজনীতিবিদ আছেন তাদের ঘড়ির কাঁটাগুলো আমরা হেলিকপ্টার উড়ানোর কাজে ব্যবহার করি। ওগুলো এত জোরে ঘুরে যে অফিসিয়াল কোনো কাজে ব্যবহারের জো নেই।

Monday, December 9, 2013

মা ও ছেলের মধ্যে চ্যাটে কথোপকথন চলছে।

মা: হোমওয়ার্ক শেষ করেছ?
মা: ভাত খেয়ে থালাবাসন ধুয়ে রাখবে কিন্তু।
মা: দরজা-জানালাগুলো বন্ধ করেছ?
মা: জামাকাপড়গুলো ইস্ত্রি করে রাখো।
কাল খুব সকালে স্কুলে যেতে হবে।
মা: শোন, তোমার বাবা আর আমি ঠিক
করেছি,
তোমাকে একটা ল্যাপটপ কিনে দেব।
ছেলে: সত্যি?
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
মা: না। শুধু নিশ্চিত হলাম, তুমি ওপাশে আছ
কি না। ........

একটু সাবধানে পইড়েন /...............:)

একটু সাবধানে পইড়েন
এক বন্ধু আরেক বন্ধুর সাথে গল্প করতেছে,

...
১মঃ জানিস , গতকাল আমি ফেসবুকে এক মেয়ে কে কিছু মজার কথা বলায় সে লিখেছিলো.. "lol"।
২য়ঃ এর মানে সে রাজি !! সে তোর জন্য প্রস্তুত্, তুই তাকে লেখে দে↓↓


"olo" (!!)
১মঃ মানে? এটা কেন লেখব?
২য়ঃ আরে বুঝিস না....↓↓









"lol" মানে বুঝায় ২ পায়েরমাঝে একটা গর্ত, আর "olo" মানে বুঝায় ২ বলের মাঝেএকটা........ .

কেরামত বিয়া করছে...

কেরামত বিয়া করছে...
বাসর
রাতে বৌ কে আদর
করতে গেল....
বৌ তো রেগে গেল!
বৌ: খবরদার! আমার কাছে আসবেনা!
কেরামত: (অবাক হয়ে) কেন?!?
বৌ: কারন আমি মাকে কথা দিছি...
-
-
- -
-
-
-
-
- -
বিয়ের পর এসব ছেড়ে দেব!
‼ ল্যাও ঠ্যালা
► জোকস্
বুঝে মজা পাইলে ধুমধারাক্কা লাইক
মারেন!

কে বেশি পেটুক

নাসিরুদ্দিন হোজ্জার বাড়িতে তাঁর কিছু বন্ধু এসেছেনঅতিথিদের তরমুজ দিয়ে আপ্যায়ন করলেন হোজ্জাবন্ধুদের সঙ্গে খেতে বসলেন হোজ্জা নিজেও
হোজ্জার পাশেই বসেছিলেন তাঁর এক দুষ্টু বন্ধুতরমুজ খেয়ে খেয়ে বন্ধুটি হোজ্জার সামনে তরমুজের খোসা রাখছিলেনখাওয়া শেষে দেখা গেল, হোজ্জার সামনে তরমুজের খোসার স্তূপ
দুষ্টু বন্ধুটি অন্যদের বললেন, ‘দেখেছেন কাণ্ড? হোজ্জা কেমন পেটুক? তার সামনে তরমুজের খোসার স্তূপ হয়ে গেছে’!
হোজ্জা হেসে বললেন, ‘আর আমার বন্ধুটির সামনে দেখছি একটা খোসাও নেই! উনি খোসাশুদ্ধ খেয়েছেন! এখন আপনারাই বলুন, কে বেশি পেটুক!

কে বেশি পেটুক

নাসিরুদ্দিন হোজ্জার বাড়িতে তাঁর কিছু বন্ধু এসেছেন। অতিথিদের তরমুজ দিয়ে আপ্যায়ন করলেন হোজ্জা। বন্ধুদের সঙ্গে খেতে বসলেন হোজ্জা নিজেও।
হোজ্জার পাশেই বসেছিলেন তাঁর এক দুষ্টু বন্ধু। তরমুজ খেয়ে খেয়ে বন্ধুটি হোজ্জার সামনে তরমুজের খোসা রাখছিলেন। খাওয়া শেষে দেখা গেল, হোজ্জার সামনে তরমুজের খোসার স্তূপ।
দুষ্টু বন্ধুটি অন্যদের বললেন, ‘দেখেছেন কাণ্ড? হোজ্জা কেমন পেটুক? তার সামনে তরমুজের খোসার স্তূপ হয়ে গেছে’!
হোজ্জা হেসে বললেন, ‘আর আমার বন্ধুটির সামনে দেখছি একটা খোসাও নেই! উনি খোসাশুদ্ধ খেয়েছেন! এখন আপনারাই বলুন, কে বেশি পেটুক!’
- See more at: http://www.ebanglajokes.com/6484#sthash.bWJzAnzE.dpuf

কে বেশি পেটুক

নাসিরুদ্দিন হোজ্জার বাড়িতে তাঁর কিছু বন্ধু এসেছেন। অতিথিদের তরমুজ দিয়ে আপ্যায়ন করলেন হোজ্জা। বন্ধুদের সঙ্গে খেতে বসলেন হোজ্জা নিজেও।
হোজ্জার পাশেই বসেছিলেন তাঁর এক দুষ্টু বন্ধু। তরমুজ খেয়ে খেয়ে বন্ধুটি হোজ্জার সামনে তরমুজের খোসা রাখছিলেন। খাওয়া শেষে দেখা গেল, হোজ্জার সামনে তরমুজের খোসার স্তূপ।
দুষ্টু বন্ধুটি অন্যদের বললেন, ‘দেখেছেন কাণ্ড? হোজ্জা কেমন পেটুক? তার সামনে তরমুজের খোসার স্তূপ হয়ে গেছে’!
হোজ্জা হেসে বললেন, ‘আর আমার বন্ধুটির সামনে দেখছি একটা খোসাও নেই! উনি খোসাশুদ্ধ খেয়েছেন! এখন আপনারাই বলুন, কে বেশি পেটুক!’
- See more at: http://www.ebanglajokes.com/6484#sthash.bWJzAnzE.dpuf